বড় জয়ে সাউদিকে বিদায় দিল নিউজিল্যান্ড
ক্রীড়া ডেস্ক:
হ্যামিল্টনে জয়ের জন্য ইংল্যান্ডকে ৬৫৮ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। এই টেস্ট জিততে হলে অলৌকিক কিছুই করতে হতো ইংলিশদের। তা আর হলো না, স্যান্টনারের ঘূর্ণি আর হেনরি ও সাউদির পেসে দিশেহারা হয়ে ২৩৪ রানেই গুটিয়ে গেছে ইংল্যান্ড। রানের দিক থেকে নিজেদের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ৪২৩ রানের জয়ের রেকর্ডকে ছুঁয়েই হোয়াইটওয়াশ এড়িয়ে সাউদিকে বিদায় দিল কিউইরা। এর আগে ২০১৮ সালে ক্রাইস্টচার্চে শ্রীলঙ্কাকেও এই ব্যবধানেই হারিয়েছিল কিউইরা।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই শুরু এবং শেষ টেস্ট খেললেন টিম সাউদি। ১৬ বছর আগে অভিষেক টেস্টে ৫ উইকেট নিয়ে দলের হয়ে অবদান রাখলেও সেবার ১২১ রানে হেরেছিল কিউইরা।
অভিষেক টেস্টে হারলেও সাউদির বিদায়টা বড় জয়েই দিয়েছে নিউজিল্যান্ড। সেই ইংল্যান্ডকেই এবার ৪২৩ রানে হারিয়ে শেষ করলেন টেস্ট ক্যারিয়ার। এর আগে ২০১৫ সালে লিডসে ইংল্যান্ডকে সর্বোচ্চ ১৯৯ রানে হারিয়েছিল নিউজিল্যান্ড।
শেষ টেস্ট জিতলেও তিন ম্যাচ সিরিজে ইংল্যান্ডের কাছে ২-১-এ হেরেছে কিউইরা। আর সাউদির শেষ টেস্টের শেষ উইকেট উপহার দিলেন বেথেল। তাকে আউট করেই ৩৯১ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ারের সমাপ্তি হলো ৩৬ বছর বয়সী এই পেসারের।
হ্যামিল্টনে আগের দিনের ২ উইকেটে ১৮ রান নিয়ে শুরু করে ইংল্যান্ড। ৬৫৮ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নামা ইংলিশরা দ্বিতীয় ইনিংসে টিকেছে ৪৭.২ ওভার।
দিনের শুরুটা অবশ্য ভালো ছিল সফরকারীদের। তৃতীয় উইকেটে ১০৪ রানের জুটি গড়েন বেথেল ও জো রুট। বাঁহাতি স্পিনার মিচেল স্যান্টনারের প্রথম শিকার হয়ে ফেরার আগে ৫৪ রান করে স্যান্টনারে বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন রুট। তার বিদায়ে অনেকটা ভেঙে পড়ে ইংলিশদের ইনিংস।
দলীয় ১৬৬ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় সফরকারীরা। ৭৬ রানে বেথেল ফেরার পর পেস বোলিং অলরাউন্ডার অ্যাটকিনসনে নিয়ে ৪৯ রানের জুটি গড়ে ব্যক্তিগত ১৭ রানে বিদায় নেন পোপ। শেষের দিকে অ্যাটকিনসন ৪১ বলে ৪৩ রান করেন। আর চোটের কারণে ব্যাট করা হয়নি বেন স্টোকসের।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
নিউজিল্যান্ড : প্রথম ইনিংস : ৩৪৭/১০ ও দ্বিতীয় ইনিংস ৪৫৩/১০।
ইংল্যান্ড: প্রথম ইনিংস ১৪৩/১০ ও ২৩৪/১০ (৪৭.২ ওভার) বেথেল ৭৬, রুট ৫৪, অ্যাটকিনসন ৪৩; স্যান্টনার ৪/৮৫, সাউদি ২/৩৪, হেনরি ২/৬২)।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: মিচেল স্যান্টনার
ম্যান অব দ্য সিরিজ: হ্যারি ব্রুক।







