আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে জাপানে অনুষ্ঠিতব্য এশিয়ান গেমসে ২০২ জন অ্যাথলেট পাঠাবে বিওএ (বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন )। একই সাথে এখন থেকে সব ধরণের আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া মাল্টি-স্পোর্টস গেমসের প্রশিক্ষণ, অংশগ্রহণ এবং আয়োজনের সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে নেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।
১ ফেব্রুয়ারি, রবিবার ময়মনসিংহের ত্রিশালে প্রস্তাবিত ‘বাংলাদেশ অলিম্পিক কমপ্লেক্স’ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান শেষে অনুষ্ঠিত বিওএ-র কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিওএ-র পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এখন থেকে অলিম্পিক, এশিয়ান গেমস, কমনওয়েলথ গেমস, ইসলামিক সলিডারিটি গেমস, সাউথ এশিয়ান (এসএ) গেমস এবং ঘরোয়া বাংলাদেশ গেমস ও যুব গেমসের যাবতীয় প্রশিক্ষণ ও দল পরিচালনার দায়িত্ব বিওএ নিজেই পালন করবে।
এর আগে গত বছর অনুষ্ঠিত ইসলামিক সলিডারিটি গেমস এবং প্রস্তাবিত এসএ গেমসের প্রশিক্ষণের দায়িত্বে ছিল সরকারি ক্রীড়া সংস্থা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। তবে সরকারি তহবিল বরাদ্দে বিলম্বের কারণে খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে অচলাবস্থা ও ব্যাঘাত ঘটার খবর সামনে এসেছিল। সেই অভিজ্ঞতার আলোকেই বিওএ এই নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গেমস সংক্রান্ত সব কার্যক্রমের জন্য বিওএ তাদের নিজস্ব তহবিল থেকে একটি পৃথক হিসাব পরিচালনা করবে, যা পরবর্তীতে সরকারি বরাদ্দের সাথে সমন্বয় করা হবে।
চলতি বছরের জুলাই-আগস্টে স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিতব্য ২৩তম কমনওয়েলথ গেমসেও অংশ নেবে বাংলাদেশ। তবে সেখানে কেবল ৫টি ডিসিপ্লিনে (অ্যাথলেটিক্স, বক্সিং, জিমন্যাস্টিকস, সাঁতার এবং ভারোত্তোলন) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বাংলাদেশের অ্যাথলেটরা।
অন্যদিকে, জাপানের এশিয়ান গেমসে ২৬টি ডিসিপ্লিনে অংশ নেবে বাংলাদেশ। ডিসিপ্লিনগুলো হলো:
ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিওএ সরাসরি প্রশিক্ষণের দায়িত্ব নেওয়ায় অ্যাথলেটদের প্রস্তুতি আরও নিরবচ্ছিন্ন ও গতিশীল হবে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের জন্য ভালো ফলাফল বয়ে আনতে সাহায্য করবে।