July 25, 2026, 3:00 AM

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন যে ১২ তারকা ফুটবলার

খেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ ২৪ জুলাই, ২০২৬
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায়
নেইমার জুনিয়র

একটি বড় টুর্নামেন্টের সমাপ্তি অনেক সময়ই কিছু খেলোয়াড়ের ক্যারিয়ারের একটি অধ্যায়েরও সমাপ্তি ঘটায়। আন্তর্জাতিক ফুটবলেও অনেকের যাত্রা থেমে যায় বিশ্বকাপের পর।

২০২৬ বিশ্বকাপ শেষে লিওনেল মেসি কিংবা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানাবেন কি না, এখন সবার নজর সেদিকেই। মেসি আর্জেন্টিনাকে নিয়ে রানার্সআপ হয়েছেন, আর রোনালদোর পর্তুগাল শেষ ষোলোতেই বিদায় নিয়েছে, মজার বিষয়, দুই দলকেই হারিয়েছে শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হওয়া স্পেন।

এই দুই কিংবদন্তির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকলেও, বিশ্বকাপের পর ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আরও কয়েকজন তারকা।

১. মানুয়েল নয়্যার

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেওয়ার পর আবারও জার্মানির হয়ে বিশ্বকাপে ফিরেছিলেন নয়্যার। তবে ৪০ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক দ্রুতই নিজের সিদ্ধান্ত বদলে আবারও অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন।

উত্তর আমেরিকায় চারটি ম্যাচ খেলে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ২৩ ম্যাচ খেলা গোলরক্ষক হয়েছেন তিনি।

২০১৪ সালে বিশ্বকাপ জেতে নয়ারের জার্মানি

তবে পেনাল্টি শুটআউটে ফাবিয়ান বালবুয়েনার একটি শট ঠেকিয়েও জার্মানিকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে শেষ বত্রিশের ম্যাচে বিদায় ঠেকাতে পারেননি। সেই ম্যাচই বায়ার্ন মিউনিখ কিংবদন্তির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ হয়ে যায়।

জার্মানির হয়ে ১২৮ ম্যাচ খেলেছেন নয়্যার। ২০১৪ সালে বিশ্বকাপজয়ী জার্মানি দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন তিনি।

বায়ার্ন মিউনিখের সঙ্গে তার চুক্তির মেয়াদ এখনও এক বছর বাকি।

২. নেইমার

ব্রাজিলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমারের ঝুলিতে বিশ্বকাপের কোনো শিরোপা নেই। চতুর্থ ও শেষ বিশ্বকাপে তার দল শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে হেরে বিদায় নেয়।

নেইমার জুনিয়র

বিশ্বকাপে পুরোপুরি ফিট ছিলেন না নেইমার। তবুও নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিলের একমাত্র গোলটি করেন তিনি। এর মাধ্যমে পেলের পর একমাত্র ব্রাজিলিয়ান হিসেবে চারটি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার কীর্তি গড়েন।

এটি ছিল ব্রাজিলের হয়ে তার রেকর্ড-বর্ধিত ৮০তম গোল। জাতীয় দলের হয়ে ১৩০ ম্যাচে এই গোলগুলো করেছেন তিনি।

তবে বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলার হিসেবে পরিচিত নেইমারের ব্রাজিলের হয়ে একমাত্র বড় শিরোপা ২০১৩ সালের কনফেডারেশনস কাপ। বিশ্বকাপের শিরোপা অধরাই থেকে গেল তার।

৩. রিয়াদ মাহরেজ

আলজেরিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা খেলোয়াড় হওয়ার রেকর্ড থেকে মাত্র কয়েক ম্যাচ দূরে ছিলেন মাহরেজ। তবে সেই রেকর্ড আর ভাঙা হচ্ছে না।

২০১৯ সালে আফ্রিকান কাপ অব নেশনস জেতে মাহরেজের আলজেরিয়াছবি: গেটি ইমেজেস

শেষ বত্রিশের ম্যাচে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে আলজেরিয়ার অধিনায়কত্ব করার পরই মাহরেজ জানান, দেশের হয়ে সেটিই ছিল তার শেষ ম্যাচ।

সাবেক লেস্টার সিটি ও ম্যানচেস্টার সিটির এই উইঙ্গার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ৪০ গোল করেছেন। ক্লাব পর্যায়েও বর্তমানে তিনি নতুন ক্লাবের সন্ধানে রয়েছেন।

৪. সাদিও মানে

চোটের কারণে ২০২২ বিশ্বকাপ মিস করার পর ২০২৬ বিশ্বকাপে শেষবারের মতো মাঠে নামেন সাদিও মানে।

আফ্রিকা কাপ অব নেশনস ফাইনালে মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ শেষে টুর্নামেন্ট সেরা পুরস্কার হাতে সেনেগালের ফরোয়ার্ড সাদিও মানে। ছবিটি ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, রাবাতের প্রিন্স মাওলে আবদেল্লাহ স্টেডিয়ামে তোলা। ছবি: গেটি ইমেজেস

সেনেগালের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা এই সাবেক লিভারপুল তারকা অবশ্য শেষ বিশ্বকাপে কোনো গোল করতে পারেননি।

৩৪ বছর বয়সী মানের আল-নাসরের সঙ্গে এখনও এক বছরের চুক্তি রয়েছে।

৫. গুইলার্মো ওচোয়া

ওচোয়া ছাড়া ভবিষ্যতের কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে মেক্সিকোকে গোলবারের নিচে কল্পনা করাই কঠিন!

৪১ বছর বয়সে ষষ্ঠ বিশ্বকাপে অংশ নেন এই গোলরক্ষক। তবে খেলেছেন মাত্র একটি ম্যাচে। সেটিই ছিল মেক্সিকোর হয়ে তার ১৫৩তম ও শেষ ম্যাচ।

চেকিয়া ও মেক্সিকোর মধ্যকার ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে ৩-০ গোলের জয়ের পর মেক্সিকোর গোলরক্ষক গুইলার্মো ওচোয়াকে শূন্যে তুলে উচ্ছ্বাস করছেন সতীর্থরা। ছবিটি ২৪ জুন ২০২৬ মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়ামে তোলা। ছবি: গেটি ইমেজেস

বিশ্বকাপের আগেই অবসরের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছিলেন ওচোয়া। বর্তমানে কোনো ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ না থাকায় ফুটবল ক্যারিয়ারেরও ইতি টানার পথে তিনি।

ওচোয়া বলেন, “জাতীয় দলের হয়ে আমার সময় শেষ হয়ে আসছে। ফুটবলে আর খুব বেশি কিছু খুঁজে পাচ্ছি না। চালিয়ে যাওয়ার কোনো মানে দেখি না। তাই… এখানে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত আমি উপভোগ করেছি। নিজের সবটুকু দিয়েছি।”

৬. নিকোলাস ওতামেন্দি

৩৮ বছর বয়সে বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বয়সী খেলোয়াড় ছিলেন ওতামেন্দি; তার চেয়ে বয়সে বড় ছিলেন শুধু মেসি।

কোপা আমেরিকা ২০২৪-এর কোয়ার্টার ফাইনালে ইকুয়েডরের বিপক্ষে পেনাল্টি শুটআউটে আর্জেন্টিনার হয়ে দলের পঞ্চম পেনাল্টিতে গোল করে জয় উদ্‌যাপন করছেন নিকোলাস ওতামেন্দি। ম্যাচটি ৪ জুলাই ২০২৪ হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: গেটি ইমেজেস

সাবেক ম্যানচেস্টার সিটি সেন্টার-ব্যাক আর্জেন্টিনার একটি ম্যাচ ছাড়া বাকি সব ম্যাচ খেলেছেন। স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালেও ছিলেন শুরুর একাদশে।

জাতীয় দলের হয়ে ১৩৯ ম্যাচ খেলে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন তিনি। তবে ক্লাব ফুটবলে নতুন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে তার জন্য। মে মাসে রিভার প্লেটে যোগ দিয়ে ১৬ বছর পর ইউরোপের ফুটবল ছেড়ে আর্জেন্টিনায় ফিরেছেন তিনি।

৭. মার্কো আরনাউতোভিচ

অস্ট্রিয়া জাতীয় দলের হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ ও গোলের রেকর্ড রয়েছে আরনাউতোভিচের দখলে। তবে ৩৭ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছেন তিনি।

বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ম্যাচ ড্র করার পর বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত হওয়ায় উদযাপন করছেন অস্ট্রিয়ার মার্কো আরনাউতোভিচ। ছবিটি ১৮ নভেম্বর ২০২৫ ভিয়েনায় তোলা। ছবি: গেটি ইমেজেস

বিশ্বকাপের পথে শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হওয়া স্পেনের কাছে হার মানা দলগুলোর একটি ছিল অস্ট্রিয়া।

গ্রুপ পর্বে দুটি গোল করেন আরনাউতোভিচ। ফলে জাতীয় দলের হয়ে ১৩৭ ম্যাচে ৪৯ গোলের রেকর্ড নিয়ে বিদায় নিলেন এই ফরোয়ার্ড।

রেড স্টার বেলগ্রেডের হয়ে তিনি শিগগিরই দ্বিতীয় মৌসুম শুরু করবেন।

৮. প্যাট্রিক শিক

এই তালিকার সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় শিক। ৩০ বছর বয়সে চেক প্রজাতন্ত্রের হয়ে প্রথম ও শেষ বিশ্বকাপ খেললেন তিনি। দলটি গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়।

ইউরো ২০২০-এর ‘ডি’ গ্রুপের ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে চেক প্রজাতন্ত্রের হয়ে দ্বিতীয় গোল করার পর উদযাপন করছেন প্যাট্রিক শিক। ম্যাচটি ১৪ জুন ২০২১ গ্লাসগোর হ্যাম্পডেন পার্কে অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: গেটি ইমেজেস

দেশের হয়ে শিকের শেষ পরিসংখ্যান ৫৬ ম্যাচে ২৬ গোল। ইউরো ২০২০ ও ইউরো ২০২৪-এও খেলেছেন তিনি। ইউরো ২০২০-এ স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মাঝমাঠের কাছাকাছি থেকে করা তার অসাধারণ গোলটি এখনও স্মরণীয়।

বায়ার লেভারকুসেনের সঙ্গে ২০৩০ সাল পর্যন্ত চুক্তি রয়েছে শিকের। ক্লাবটির হয়ে ১০০টির বেশি গোল করেছেন তিনি। তবে এখন থেকে আন্তর্জাতিক ফুটবলের কোনো ব্যস্ততা থাকবে না তার।

৯. ক্রেইগ গর্ডন

গর্ডনের বিদায় শুধু স্কটল্যান্ডের জাতীয় দল থেকেই নয়, ক্লাব ফুটবল থেকেও। ৪৩ বছর বয়সে তার সিদ্ধান্তকে কুর্নিশ জানাতেই হয়।

২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ডেনমার্কের বিপক্ষে স্কটল্যান্ডের ম্যাচে স্কটল্যান্ডের গোলরক্ষক ক্রেইগ গর্ডন। ম্যাচটি ১৮ নভেম্বর ২০২৫ গ্লাসগোর হ্যাম্পডেন পার্কে অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: গেটি ইমেজেস

বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের তিনটি গ্রুপ ম্যাচেই বেঞ্চে ছিলেন তিনি। জাতীয় দলের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা গোলরক্ষক হিসেবে বিদায় নিলেন গর্ডন। তার সামনে আছেন শুধু জিম লেইটন।

ক্লাব ক্যারিয়ারও প্রায় রূপকথার মতো শেষ হতে যাচ্ছিল। তবে স্কটিশ লিগ শিরোপার দৌড়ে তার সাবেক ক্লাব সেল্টিকের কাছে শেষ মুহূর্তে হেরে যায় হার্টস।

১০. এনার ভ্যালেন্সিয়া

ইকুয়েডরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড ভাঙা কঠিনই হবে। জাতীয় দলের হয়ে ৪৯ গোল করে অবসর নিয়েছেন ভ্যালেন্সিয়া। সক্রিয় খেলোয়াড়দের মধ্যে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর গোল মাত্র ৯টি।

২০২৬ বিশ্বকাপের দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে ইকুয়েডরের প্রথম গোল করার পর উদযাপন করছেন এনার ভ্যালেন্সিয়া। ম্যাচটি ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ গুয়ায়াকিলের এস্তাদিও মনুমেন্টাল ইসিদ্রো রোমেরো কার্বো স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: গেটি ইমেজেস

সাবেক ওয়েস্ট হ্যাম ফরোয়ার্ড তিনটি বিশ্বকাপে—২০১৪, ২০২২ ও ২০২৬—অংশ নিয়ে ১০ ম্যাচে ৬ গোল করেছেন।

৩৬ বছর বয়সী ভ্যালেন্সিয়া বর্তমানে ক্লাবহীন। তাই ক্লাব ফুটবলে তার ভবিষ্যৎ কী হবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

১১. ফার্নান্দো মুসলেরা

স্পেনের বিপক্ষে উরুগুয়ের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ভুল করে গোল হজমের পর বিরতির সময় মাঠ থেকে উঠে আসেন মুসলেরা।

বিশ্বকাপ ২০২৬ এর ‘এইচ’ গ্রুপের ম্যাচে স্পেনের বিপক্ষে উরুগুয়ের গোলরক্ষক ফার্নান্দো মুসলেরা। ম্যাচটি ২৬ জুন ২০২৬ মেক্সিকোর জাপোপানে গুয়াদালাহারা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: ডেভিড রামোস / গেটি ইমেজেস

৪০ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক ২০২৪ সালে অবসর নেওয়ার পর পঞ্চম বিশ্বকাপে ফের আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফিরেছিলেন। তবে সেই বিশ্বকাপই হয়ে গেল তার শেষ।

আর্জেন্টিনার ক্লাব এস্তুদিয়ান্তেসে এখনও খেলছেন মুসলেরা। উরুগুয়ের হয়ে ১৩৭ ম্যাচ খেলে তিনি দেশটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা গোলরক্ষক।

১২. জ্যাঁ-মিশেল সেরি

আইভরি কোস্টের হয়ে বিশ্বকাপে মাত্র একবার মাঠে নামার সুযোগ পেয়েছিলেন সেরি। কুরাসাওয়ের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে শেষ ১৩ মিনিটের জন্য মাঠে নামেন তিনি।

নরওয়ের বিপক্ষে শেষ বত্রিশের ম্যাচে আবারও বেঞ্চে ছিলেন সেরি। ৩৫ বছর বয়সে ৬০টির বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে শেষ হলো তার জাতীয় দলের ক্যারিয়ার।

জ্যাঁ-মিশেল সেরি

আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় সাফল্য ২০২৩ সালের আফ্রিকা কাপ অব নেশনস (AFCON) জয়। সেই আসরে টুর্নামেন্টের সেরা একাদশেও জায়গা পেয়েছিলেন তিনি।

ফুলহ্যাম ও হাল সিটির সাবেক এই মিডফিল্ডারের স্লোভেনিয়ান ক্লাব মারিবোরের সঙ্গে এখনও এক বছরের চুক্তি রয়েছে।


এই ক্যাটাগরির আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com